নন্দকুমার আবার—
সময় পেলেই আকাশ তোমায় দেখবো।
বিকেলবেলা'য় যখন সময় পাবো
রাত্রিবেলায় যখন সময় পাবো।
ছোটো-ছোটো ভালবাসা তারাও মানি আকাশ
অন্য অর্থে।
তারা আমার কাছে আসে সরল দাবির কোমল প্রসাধনে
আনে শীতল অপর অবকাস।
কিন্তু আমার চাওয়া অনেক বড়ো। ----(অন্য আকাশ - আলোক সরকার)
ক্যালেণ্ডারে নভেম্বর মাসের দিকে তাকালেই মনটা কেমন যেন ‘জয়ত্তারা’ বলে ওঠে।
এ বছরও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। টিকিটপত্তর কেটে দিন তিনেকের জন্যে তারাপীঠ পালানো গেল। এটা চলছে প্রায় পনের-বিশ বছর ধরে। হোটেলের নির্দিষ্ট ঘর, নির্দিষ্ট পুজারী সবই মোটামুটি এখন ছন্দে চলে। মুঠোফোনটায় কয়েকটা কল্। ব্যস হয়ে যায় !
আর প্রত্যেক বছরই মাথায় থাকে তারাপীঠের আশেপাশের কোনো একটা নতুন কিছু দেখার। গতবার গেছিলাম মূলাটি। এবারে কোথায় যাব, কোথায় যাব করতে করতে ঠিক করা হল যে নলহাটি পেরিয়ে এক প্রাচীন গ্রাম আকালীপুর যাওয়া হবে আর ফেরার পথে নলাটেশ্বরী মন্দির দেখে ফেরা। সেই মত বেরোনো হোল দুপুরের খাওয়া দাওয়া সেরে একটা মারুতি অমনিভ্যানে।
কত যে ইতিহাস ছড়িয়ে রয়েছে আমাদের দেশে তা না ঘুরলে কিছুই বোঝা যায় না এ কথা তো জানাই ছিল, কিন্তু তা বলে বীরভূমে’র এই আকালীপুরে গিয়ে সেই বিখ্যাত মহারাজ নন্দকুমারকে আবার ফিরে পাবো এ কথা জানতেই পারিনি। খুলেই বলি সেই কথা !
কিছুই যে বুঝিনা, তা নয়,
কিছু-কিছু বুঝি।
উপরন্তু তুমি তো জানোই,
অন্ধকারে মর্মে গিয়ে খুঁজি
জোনাকিপোকাও। --(তুমি জানো - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)
গুগুলবাবার শরণাপন্ন হতেই কত কি জানা গেল... তার মধ্যে কিছু অংশ আপনাদের শেয়ার করি...
“কথায় বলে " কীর্তযস্য স জীবতি " ! মহারাজা নন্দকুমারের কীর্তিসমূহ হেস্টিংস বিলোপ করতে চেয়েও পারেন নি । তাঁর অজস্র কীর্তির মধ্যে অন্যতম হল বীরভূমের আকালীপুরে উত্তরবাহিনী ব্রহ্মাণী নদীতীরে গুহ্যকালীর প্রতিষ্ঠা ।
নন্দকুমার যখন এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন তখন ঐ গ্রামে জনাকয়েক মানুষের বাস ছিল তার মধ্যে কিছু ভট্টাচার্য বামুন ছিল । নদীতীর ছিল জঙ্গলাকীর্ণ । কথিত আছে এই গুহ্যকালী মহাভারতে বর্ণিত মগধরাজ জরাসন্ধের আরাধ্যা দেবী । কালস্রোতে ইনি কাশীরাজ চৈতসিংহের গৃহে পূজিতা হন । রাজা চৈতসিং তাঁর রাহ্যে এক ইঁদারা খননের সময় এই কালীর হদিশ পান । অস্থায়ী মন্দির নির্মিত হয়ে পুজো শুরু হয় । হেষ্টিংস সে সময় এই অপূর্ব গুহ্যকালীর শিল্পশৈলীর কথা জানতে পেয়ে ইংল্যান্ডের এন্টিক বস্তুর সংগ্রহশালায় ঐ দামী কষ্টিপাথরের মূর্তি নিয়ে যাবার ফন্দী আঁটেন । চৈতসিং এইকথা জানতে পেরে গোপনে দেবীকে ব্রাহ্মণী নদীর জলে নিমজ্জিত করে রাখেন ।মহারাজ নন্দকুমার স্বপ্নাদেশ পেয়ে রাতারাতি এই দেবীমূর্তিকে জল থেকে উদ্ধার করে তাঁর জমিদারীর অন্তর্গত আকালীপুর ভদ্রপুরে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দেবীকে স্থাপন করেন । কেউ কেউ বলেন হেষ্টিংস নাকি নৌকাপথে ঐ মূর্তিকে পাচার করে দিছিলেন । নন্দকুমার গঙ্গাবক্ষেই দেবীকে উদ্ধার করেন এবং ওনার কলিকাতার বিডন স্ট্রীটের বাড়িতে প্রথমে রাখেন এবং পরে মন্দির নির্মাণ করে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করেন । ব্রহ্মাণী নদী ভাগিরথীর সাথে কাটোয়ায় মিলিত হয়েছে । নন্দকুমার চেয়েছিলেন এই নৌকাকে ভদ্রপুরে থামাতে কিন্তু নৌকাকে থামানো যায়নি । তাই আকালীপুরে যখন নৌকা এসে ভিড়েছিল তখন ঐ মূর্তিকে নামানো সম্ভব হয়েছিল । উত্তরবাহিনী ব্রাহ্মণী নদী কালের স্রোতে পূর্বমুখী হয়েছে । কে জানে দেবী স্বয়ং দুরাচার, অর্থপিশাচ হেষ্টিংসের হাত থেকে বাঁচবার জন্যই হয়ত জঙ্গল পরিবেষ্টিত আকালীপুরকেই নিরাপদ স্থান বলে ভেবেছিলেন । অদূরে ব্রহ্মাণী নদীর কোলে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেশম কুঠিরের ধ্বংসাবশেষ ইতিহাসের উপদান হয়ে থেকে গেছে ।
মন্দিরটি ছিল আটকোণা দুর্গের অণুকরণে নির্মিত । চুন-সুরকির গাঁথনির মধ্যে ছোট ছোট বাংলা ইঁট দিয়ে তৈরী । পাঁচিল পলাস্তরা বিহীন । দেওয়ালের খোপে দেবীর দশমহাবিদ্যার মূর্তির অসম্পূর্ণ পরিকল্পনা । জনশ্রুতি আছে ভদ্রপুরের মহারাণী রাজপ্রাসাদ থেকে মন্দিরের চূড়ো দর্শন করতে চেয়েছিলেন । রাণীর ঐ দম্ভ দেবীর সহ্য হয় নি । তাই দৈব দুর্যোগে একরাতের মধ্যে নির্মিত ঐ মন্দিরের চূড়ো নষ্ট হয়ে যায় ও মন্দিরের পিছনের দেওয়ালে ফাটল ধরে ।কারো মতে এই দেবীমূর্তি শ্মশানকালী বলে মন্দির প্রকোষ্ঠে আবদ্ধ থাকতে নারাজ । তাই নির্মাণকালেই এই মন্দিরটি বিদীর্ণ হয় এবং এখনো অসমাপ্ত ।
মন্দিরের গর্ভগৃহটিকে বেষ্টন করে পরিখার মত আবরণী । তিনটি দরজা । প্রধান দরজা দক্ষিণদিকে । ত্রিনয়না দেবী দক্ষিণমুখী । ভারতবর্ষের অন্য কোথাও এমন কালীমূর্তির নিদর্শন নেই । অনেকটা নেপাল বা চীনের কালীমূর্তির মত গড়ন । কালো কষ্টিপাথরের একখন্ড টুকরো কেটে কোনো এক অনামা শিল্পী বানিয়ে ছিলেন । আয়তাকার কালো পাথরের বেদীতে দুটি কুন্ডলীকৃত সাপের ওপর অর্ধ পদ্মাসনে উপবিষ্টা দেবী । দেবীর ডান পা সাপের মাথা স্পর্শ করে আছে । দেবীর মস্তকে পাঁচটি ধাপে সহস্রাধার । অর্থাত হটযোগে যে মস্তকে যে সহস্রাধারের কথা বলা হয় এই সাপের মুকুট তারই প্রতীক । দেবীর গলায় পঞ্চাশটি নরমুন্ড দিয়ে তৈরী মালা । কর্ণ কুহর থেকে বুক অবধি নেমে এসেছে দুটি শিশুর মৃত শবদেহ । দেবীর সর্প উপবীত । নাভীকুন্ডের ওপর দিয়ে সাপের কোমর বেষ্টনী । দুহাতে সাপের বলয় । উন্মুক্ত লোলজিহ্বা, বিস্ফারিত ত্রিনয়ন আর মুখ গহ্বরে নাকি আসল নরদন্তের সারি । চক্ষু ও নাকি নর-করোটির অংশে নির্মিত । দুই হাতে বর এবং অভয় । একাধারে সৃষ্টি এবং লয়ের প্রতীকি এই দেবীর ভয়ানক রূপের মধ্যে আবার তাঁর প্রস্ন্ন রূপটিও প্রচ্ছন্নভাবে রয়েছে । ব্রহ্মাণী নদীতীর সংলগ্ন শ্মশানঘাটটির পরিবেশও বেশ ছমছমে ।
দেবীর ভৈরব গৌরীশঙ্করের মূর্তিও আছে পাশেই । গুহ্যকালীর নিত্যপুজো হয় এখানে । দশপোয়া অতপচালের ভোগ দেওয়া হয় দুর্গাপূজার পর চতুর্দশীতে ভেড়া, ছাগল ও মোষ বলির ও প্রচলন আছে । মায়ের প্রতিষ্ঠা দিবসে মাঘ মাসে রটন্তী কালীপুজোতে মেলাও বসে এখানে ।তান্ত্রিকরা এই কালীকে বেদের বেটী বলে থাকেন । ২০০৪ সাল থেকে এই মন্দিরের উন্নয়নে জোর কদমে কাজকর্ম চলছে । ব্রহ্মাণীনদীর সবুজ অরণ্যময়তায়, তুঁতচাষের বাহুল্যে আর বাঁশবনের মর্মরতায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পরিপুষ্ট এই আকালীপুর ভদ্রপুরের গুহ্যকালী বোলপুরের অন্যান্য সতীপিঠ অপেক্ষা কোনো অংশে কম নয় । আর মহারাজা নন্দকুমারের অপরিমিত সাহস ও দূরদৃষ্টির কথা বার বার আমাদের মনে করিয়ে দেয় এই মন্দির । শক্তিসাধনার ক্ষেত্র হিসেবে এই তীর্থভূমি পশ্চিমবঙ্গের আর পাঁচটি তীর্থ সাধনার স্থানের মতই ।......”
কৃতজ্ঞতা :- ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় (শারদীয়া "স্মরণিকা" ২০১৪, প্রান্তিক, বোলপুর এ প্রকাশিত)
নিষিদ্ধ জিনিষে খুব লোভ হয় আমাদের আমরা তাই
চন্দঙ্গাছের ডাল ভেঙে ফেলি দারুণ জোৎস্নায়
বনবাসে পাঠাই তোমাকে
অমরত্ব চাই
আত্মহত্যা করি--। ---( আমরা তাই - রত্নেশ্বর হাজরা )
এবারে আসি উইকিপেডিয়া’ইয় ‘গুহ্যকালী’ প্রসঙ্গে :-
“গুহ্যকালী বা আকালী হিন্দু দেবী কালীর একটি বিশেষ রূপ। দেবীভাগবত পুরাণ মতে, তিনি দেবী শতাক্ষীর শরীর থেকে উৎপন্না অন্যতমা মহাশক্তি।কোনো কোনো সাধক এই রূপে কালীর আরাধনা করে থাকেন, তবে গৃহস্থের নিকট এই রূপ "অপ্রকাশ্য"। গুহ্যকালী কালীর এক অতি ভয়ংকরী রূপ। এই রূপ কালীর প্রচলিত রূপের চেয়ে অনেকটাই পৃথক। গুহ্যকালী দ্বিভূজা, সর্পভূষিতা ও খড়্গহস্তা। তাঁকে সূর্যকালী নামেও অভিহিত করা হয়।
মূর্তিকল্প :-
দেবী গুহ্যকালীর ধ্যানমন্ত্রে তাঁর যে মূর্তিটি বর্ণিত হয়েছে তা নিম্নরূপ: গুহ্যকালীর গাত্রবর্ণ গাঢ় মেঘের ন্যায়; তিনি লোলজিহ্বা ও দ্বিভূজা; গলায় পঞ্চাশটি নরমুণ্ডের মালা; কটিতে ক্ষুদ্র কৃষ্ণবস্ত্র; স্কন্ধে নাগযজ্ঞোপবীত; মস্তকে জটা ও অর্ধচন্দ্র; কর্ণে শবদেহরূপী অলংকার; হাস্যযুক্তা, চতুর্দিকে নাগফণা দ্বারা বেষ্টিতা ও নাগাসনে উপবিষ্টা; বামকঙ্কণে তক্ষক সর্পরাজ ও দক্ষিণকঙ্কণে অনন্ত নাগরাজ; বামে বৎসরূপী শিব; তিনি নবরত্নভূষিতা; নারদাদিঋষিগণ শিবমোহিনী গুহ্যকালীর সেবা করেন; তিনি অট্টহাস্যকারিণী, মহাভীমা ও সাধকের অভিষ্ট ফলপ্রদায়িনী। গুহ্যকালী নিয়মিত শবমাংস ভক্ষণে অভ্যস্তা। ......
তন্ত্র পুরাণে দেবী কালীর একাধিক রূপভেদের উল্লেখ পাওয়া যায়। তোড়লতন্ত্র অনুসারে, কালী আট প্রকার। যথা: দক্ষিণকালিকা, সিদ্ধকালিকা, গুহ্যকালিকা, শ্রীকালিকা, ভদ্রকালী, চামুণ্ডাকালিকা, শ্মশানকালিকা ও মহাকালী। মহাকাল সংহিতার অনুস্মৃতিপ্রকরণে নয় প্রকার কালীর উল্লেখ পাওয়া যায়। যথা: দক্ষিণাকালী, ভদ্রকালী, শ্মশানকালী, কালকালী, গুহ্যকালী, কামকলাকালী, ধণকালিকা, সিদ্ধিকালী, সিদ্ধিকালী, চণ্ডিকালিকা। অভিনব গুপ্তের তন্ত্রালোক ও তন্ত্রসার গ্রন্থদ্বয়ে কালীর ১৩টি রূপের উল্লেখ আছে। যথা: সৃষ্টিকালী, স্থিতিকালী, সংহারকালী, রক্তকালী, যমকালী, মৃত্যুকালী, রুদ্রকালী, পরমার্ককালী, মার্তণ্ডকালী, কালাগ্নিরুদ্রকালী, মহাকালী, মহাভৈরবঘোর ও চণ্ডকালী।[১০] জয়দ্রথ যামল গ্রন্থে কালীর যে রূপগুলির নাম পাওয়া যায়, সেগুলি হল: ডম্বরকালী, রক্ষাকালী, ইন্দীবরকালিকা, ধনদকালিকা, রমণীকালিকা, ঈশানকালিকা, জীবকালী, বীর্যকালী, প্রজ্ঞাকালী ও সপ্তার্নকালী।......... ”
এখনো বেশ গ্রাম এই আকালীপুর। মন্দিরের পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে ব্রাহ্মণী নদী। খুব সুন্দর পরিবেশ। নলহাটি বহরমপুর সড়কপথে বাসে করে গেলে পানাগড়-মোরগ্রাম হাইওয়ের ওপর নগোরার মোড় । সেখান থেকে আকালীপুর মাত্র পাঁচ কিলোমিটার । আজিমগঞ্জ-নলহাটী শাখায় রেল স্টেশন লোহাপুর থেকে “আকালীপুর” মাত্র ছ'কিলোমিটার দূরে।
আমাদের দেখা হয়নি আমার না জানার কারণেই। এখন দেখছি “অন্যদিকে দ্বারবাসিনী মন্দিরটি রয়েছে বন দফতরের প্রাচীন বনের মধ্যে। প্রায় হাজার দেড়েক প্রাচীন শাল গাছের ঘন বন রয়েছে মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। রয়েছে নানা প্রজাতির গাছও। বন ঘেঁষা দ্বারকা নদীর হাঁটু জলে প্রচুর পুণ্যার্থী মকর স্নান সারেন। প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন দ্বারবাসিনী দেবীর শিলা মূর্তিতে পুজো দেন তাঁরা।”
খুব আপশোস হচ্ছে এই না দেখার জন্যে। দ্বারবাসিনী মন্দির এবং এই অঞ্চলে চাষ হওয়া নীল চাষের জন্য কুখ্যাত রেশম কুঠি আশাকরি পরের বারের জন্য তোলা থাকল।
.... জানা হয় না, কেন তন্বী দুইসখী উসখুস ক'রে হাসে
জন্মজন্মান্তরের চৈত্রমাসে।
এঞ্জিনের তন্দ্রা ভেঙে একসময় দুলে ওঠে গাড়ি ;
আর একটু দাঁড়ালে হতো, কিছুই ছিল না তাড়াতাড়ি। --(ময়ূরভঞ্জের পথে - নরেশ গুহ)
দুপুর গড়াচ্ছিল তাই এবার নলহাটির নলাটেশ্বরী মন্দিরের দিকে গাড়ি ঘোরানো গেল।
(সমাপ্ত)
ছবি পরিচিতি -
(১) গুহ্যকালী মন্দিরের রাস্তা - আকালীপুর
(২) আটকোনা গুহ্যকালী মন্দির - আকালীপুর
(৩) আকালীপুরের মন্দিরের ইতিহাস
(৪) গুহ্যকালী মা'র মুর্তি - আকালীপুর
(৫) "
(৬) "
(৭) মন্দিরের সামনে একটা দোকান - আকালীপুর
(৮) পূর্ণ মুর্তি - সাপের মাথায় বসা কালী মা - আকালীপুর
(৯) এই সেই প্রাচীন বেদী ব্রাহ্মণী নদীর ধারে - আকালীপুর
(১০) ব্রাহ্মণী নদী - আকালীপুর
(১১) "
(১২) মন্দিরের সামনে একটা দোকান - আকালীপুর
(১৩) আকালীপুর গ্রাম
(১৪) আকালীপুর গ্রাম
(১৫) নলাটেশ্বরী মন্দিরের সামনে - নলহাটি
(১৬) নলাটেশ্বরী মাতৃমূর্তি - নলহাটি
(১৭) "
(১৮) নলাটেশ্বরী মন্দির - নলহাটি