ক্ষমা কোরো বাবা জগন্নাথো -
গেছিলাম নীলাচলে। জন্মাষ্টমী ’ র দিন জগন্নাথ আর সুভদ্রা অনেক দূর থেকে দর্শন হয়েছে। মন্দিরের গর্ভগৃহে সংস্কারের কাজ চলছে তাই মন্দির-অন্দরে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা। প্রায় নাট-মন্দিরের চাতাল থেকে দেখতে পেলাম জগন্নাথ আর সুভদ্রা ’ কে। ঘরাঞ্চি , মই ইত্যাদিতে আড়ালেই রইলেন বলভদ্র। এবারের নতুন অভিজ্ঞতা হল যে কিছু পুলিশ-পুঙ্গব মন্দিরের গর্ভগৃহ সামলাচ্ছেন এবং শুধু ঠেলা নয় , সেই কাঠির ঝাড়ু দিয়ে স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষের মস্তকে আঘাত করেই চলেছেন যা এতকাল একমাত্র মন্দিরের পাণ্ডারাই নিষ্পন্ন করতেন। জয় বাবা জগন্নাথঃ ! তোমার লীলা বোঝা ভার ! সত্যি সত্যিই দেখছি বাঙালী কাকে বলে ! স্বর্গদ্বারের সামনে যা ভীড় , তা হাতীবাগানকেও লজ্জা দেবে। বাঙালীদের বিচিত্র পোষাক দেখতে হলে আপনাদের অবশ্যই আসতে হবে পুরীতে। তিন ধরণের ড্রেস কোড দেখছি — নির্দিষ্ট হয়ে গেছে এখানে। অন্ততঃ আমি যে পাড়াটায় ছিলাম। এই স্বর্গদ্বার থেকে শ্মশান ছাড়িয়ে দুটি রাস্তা চলে গেছে সেই হাওয়া-কল ছাড়িয়ে , প্রায় মোহনা পর্যন্ত। সমুদ্রের ধার ঘেঁষে একটা চওড়া রাস্তা যার একদিকে সমুদ্র আর অপর দিকে সব হোটেল-এর সারি। আর একটি রাস্তা শ্মশানের সামনে দিয়ে দ...